আমি নয়, আমার কবিতা
যা-কিছু অসম্ভব,
তা-ই আমি কবিতায় লিখি
আমি না-হ’লেও আমার কবিতা
বাজারে যায়, বন্ধুবান্ধব নিয়ে
হাসিঠাট্টা করে, পুজোর ছুটিতে
বেড়িয়ে আসে পাহাড়-জঙ্গল
আমি না-হ’লেও আমার কবিতা
দাঁড়িয়ে থাকে দূরে, মাঝেসাঝে
কথা বলে, প্রকাশিত হয় –
চোখে চোখ প’ড়ে গেলে তবুও তো আগের পাতায়
ফিরে যাও তুমি
আমি নয়, আমার কবিতা
উচ্চারণে ছুঁয়ে থাকে ঠোঁটের জড়ুল...
আভাস যে তার
রাত্রি গভীর হলে
সমস্ত খোয়াব বেজে ওঠে শুদ্ধ সাহানায়;
নিভুনিভু আলো
দূর থেকে জ্বেলে রাখো কে যেন ভাস্কর –
রাত্রি গভীর হলে
মনে পড়ে, আজও আমি প্রেমিক ছিলাম।
রাত্রি গভীর হলে
সমস্ত খোয়াব বেজে ওঠে শুদ্ধ সাহানায়;
নিভুনিভু আলো
দূর থেকে জ্বেলে রাখো কে যেন ভাস্কর –
রাত্রি গভীর হলে
মনে পড়ে, আজও আমি প্রেমিক ছিলাম।
রাই রক্তের দাগ
যত দূরে যাই, আগে আগে চলে পথ,
এ-পাড়া ও-পাড়া, এই গলি সেই গলি –
প্রতি বাঁকে বাঁকে বদলাতে থাকে নাম,
সম্পর্কের সবটুকু সম্বলই
দিয়েছি তো আমি, বাজি রেখে মনপ্রাণ,
আঁকড়ে ধ’রেছি এই বুক, এই হাত –
চুম্বন জানে কতটা নিবিড় ছিল
পুড়ে ছাই হওয়া সব অভিসম্পাত...
ব’য়ে গেছে নদী, চ’লে গেছে নদী এই
পৃথিবীর বুক চিরে চিরে চিরকাল –
মাল্লার গানে ঢেউ শুধু বেপরোয়া
হাত থেকে হাতে টেনে নিয়ে গেছে হাল;
সে নয় যেতই, এই কূলে ওই কূলে
আমিও তো ভেসে গিয়েছি ঝড়ের টানে –
যত দূরে গেছি, স’রে স’রে গেছে জল,
চোখ থেকে চোখে, বিদ্রোহে, অভিমানে...
তুমি তো বোঝোনি রাধিকার সংলাপে
কতটা বিরহ, কতখানি অভিসার,
কদমের বনে যে বাঁশির রেণু ওড়ে,
পাগলিনী আমি, সেই বাঁশি শোনাবার
দায় তো ছিলই, তুমি শুধু প্রয়োজনে
বাঁশি বাজিয়েছ, ফেলে চ’লে গেছ দূর –
বরষায় তবু ছুটে ছুটে গেছি আমি,
মেঘ ছিঁড়ে ছিঁড়ে, পায়ে বিঁধে রোদ্দুর
পথ ভেসে গেছে, আলপনা আঁকা পথ,
ঘাসে ঘাসে স্মৃতি, রাই রক্তের দাগ –
আমিও তো বুঝি, কিছু ভুল হ’য়েছিল,
কিছু কিছু ভুলে জ্ব’লে গেছে অনুরাগ...
কিছু কিছু ভুলে ভেসে চলা মান্দাসে
যত দূরে যাই, আগে আগে চলে মন –
প্রতি বাঁকে বাঁকে ফুরিয়ে ফেলেছি কথা,
ঘুমিয়ে প’ড়েছে প্রেমিকের রিংটোন।
যত দূরে যাই, আগে আগে চলে পথ,
এ-পাড়া ও-পাড়া, এই গলি সেই গলি –
প্রতি বাঁকে বাঁকে বদলাতে থাকে নাম,
সম্পর্কের সবটুকু সম্বলই
দিয়েছি তো আমি, বাজি রেখে মনপ্রাণ,
আঁকড়ে ধ’রেছি এই বুক, এই হাত –
চুম্বন জানে কতটা নিবিড় ছিল
পুড়ে ছাই হওয়া সব অভিসম্পাত...
ব’য়ে গেছে নদী, চ’লে গেছে নদী এই
পৃথিবীর বুক চিরে চিরে চিরকাল –
মাল্লার গানে ঢেউ শুধু বেপরোয়া
হাত থেকে হাতে টেনে নিয়ে গেছে হাল;
সে নয় যেতই, এই কূলে ওই কূলে
আমিও তো ভেসে গিয়েছি ঝড়ের টানে –
যত দূরে গেছি, স’রে স’রে গেছে জল,
চোখ থেকে চোখে, বিদ্রোহে, অভিমানে...
তুমি তো বোঝোনি রাধিকার সংলাপে
কতটা বিরহ, কতখানি অভিসার,
কদমের বনে যে বাঁশির রেণু ওড়ে,
পাগলিনী আমি, সেই বাঁশি শোনাবার
দায় তো ছিলই, তুমি শুধু প্রয়োজনে
বাঁশি বাজিয়েছ, ফেলে চ’লে গেছ দূর –
বরষায় তবু ছুটে ছুটে গেছি আমি,
মেঘ ছিঁড়ে ছিঁড়ে, পায়ে বিঁধে রোদ্দুর
পথ ভেসে গেছে, আলপনা আঁকা পথ,
ঘাসে ঘাসে স্মৃতি, রাই রক্তের দাগ –
আমিও তো বুঝি, কিছু ভুল হ’য়েছিল,
কিছু কিছু ভুলে জ্ব’লে গেছে অনুরাগ...
কিছু কিছু ভুলে ভেসে চলা মান্দাসে
যত দূরে যাই, আগে আগে চলে মন –
প্রতি বাঁকে বাঁকে ফুরিয়ে ফেলেছি কথা,
ঘুমিয়ে প’ড়েছে প্রেমিকের রিংটোন।
চোখে জল এলে
আলাদা দু’টো পথ
গলে গলে এক হয়ে যায়...
অথবা তুলি হল সেই আশ্চর্য আয়ুধ –
চোখ থেকে জল টেনে নেওয়া মাস্টারস্ট্রোকে
আলাদা দু’টো পথ
মিলে একাকার...
রোগা কবজির ড্রয়িং স্যারেরা
প্রতি তেমাথায়
ইস্কুল খোলেন।
রতি
যেন এক অদ্ভুত সাঁকো –
তারে তারে আঙুল জড়িয়ে
দুইদিকে কথা বলে
দু’টি ল্যান্ডফোন।
যেন এক অদ্ভুত সাঁকো –
তারে তারে আঙুল জড়িয়ে
দুইদিকে কথা বলে
দু’টি ল্যান্ডফোন।
ABOUT THE AUTHOR

Hello We are OddThemes, Our name came from the fact that we are UNIQUE. We specialize in designing premium looking fully customizable highly responsive blogger templates. We at OddThemes do carry a philosophy that: Nothing Is Impossible
ভালো লাগল
ReplyDeleteঅনেক ধন্যবাদ।
Deleteসোহম, বরাবরই আমি তোর অনুরাগী। বেশ লাগলো।
ReplyDeleteঅনেক অনেক ধন্যবাদ...
Deleteখুব ভালো
ReplyDeleteঅনেক ধন্যবাদ, দাদা
Deleteভালো লাগলো। 'চোখে জল এলে/ আলাদা দুটো পথ/ গলে গলে এক হয়ে যায়।'
ReplyDeleteঅনেক অনেক ধন্যবাদ
DeleteThis comment has been removed by the author.
ReplyDeleteখুব সুন্দর কবিতাগুলি । খুব ভাল লাগল।
ReplyDeleteঅনেক অনেক ধন্যবাদ।
Deleteখুব ভালো লাগল
ReplyDeleteঅনেক ধন্যবাদ
Deleteবেশ ভালো
ReplyDeleteঅনেক ধন্যবাদ।
Deleteভাল লাগলো
ReplyDeleteভালো লাগলো।
ReplyDeleteভালো,সবগুলোই
ReplyDelete